হনুমান মন্দির চত্বরে যুবকের একি পরিণাম হল, মনে করাচ্ছে উদয়পুরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি

আমাদের ভারত, ৩ জুলাই: হনুমান মন্দির চত্বরে গলা কেটে এক যুবকের হত্যার ঘটনা ঘটেছে উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা জেলার ভুয়াপুর গ্রামে। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তবে এর পিছনে কে বা কারা রয়েছে তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। কেন এই ঘটনা তাও স্পষ্ট নয়। তবে গলা কেটে নৃশংস ভাবে এই হত্যা ফের উদয়পুরের ভয়াবহ স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে।

অযোধ্যার ভুয়াপুর গ্রামের নিহত যুবকের নাম পঙ্কজ। সে উত্তরপ্রদেশের আমেঠির বাসিন্দা। মাস দু’য়েক ধরে ভুয়াপুর গ্রামে তার মামার বাড়িতে এসে সে থাকছিল। মাঝেমধ্যেই গ্রামে বিদ্যুৎ না থাকায় মামা বাড়ির কাছে ওই মন্দির চত্বরে ঘুমোতে চলে যেত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। গত রাতেও তাই করেছিলেন ওই যুবক। রাতেই তাকে গলা কেটে খুন করা হয়। কিন্তু কেন? এর পেছনে ব্যক্তিগত শত্রুতা রয়েছে নাকি অন্য কোনো কারণ? মামাবাড়িতে মাস দুয়েক ধরে থাকা আমেঠির এই তরুণকে কেন এমন নৃশংসভাবে খুন হতে হল তার উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

অযোধ্যার এই নৃশংস ঘটনা উদয়পুরের দর্জি কানহাইয়ালাল হত্যাকাণ্ডের ঘটনা মনে করিয়ে দিচ্ছে। কানহাইয়া লালকেও এমনই নির্মমভাবে গলা কেটে খুন করা হয়েছিল। নুপুর শর্মাকে সমর্থন করার কারণে প্রাণ খুইয়েছে কানহাইয়া লাল। একই কারণে প্রাণ গেছে মহারাষ্ট্রের অমরাবতীর কেমিস্ট উমেশ কোলহের। উদয়পুরের ঘটনার জঙ্গি সংগঠন আইসিস পাক মদদপুষ্ট অন্য জঙ্গি সংগঠনের হাতে রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। কারণ কানহাইয়ালালের হত্যাকারীদের সম্পর্কে তদন্ত করতে গিয়ে জানা যায় এদের মধ্যে একজন করাচিতে গিয়ে রীতীমতো প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছিল। অমরাবতী, উদয়পুরের ঘটনার পরে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় এই একই কায়দায় খুন কেন হল, তা নিয়ে ধন্দে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *