রমেশ মান্না
আমাদের ভারত, কলকাতা, ১৬ ফেব্রুয়ারি:
সংস্কৃতি চর্চার সাফল্য আসছে ঋষি ডান্স একাডেমিতে। শিশুমনকে সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্যে নিয়ে গিয়ে একের পর এক সাফল্য আনছে কোরিওগ্রাফার ঋষি রায়চৌধুরী ও তাঁর সহযোগী সংযুক্তা সিংহ। ডান্স বাংলা ডান্স, কালারস বাংলা, ড্যান্স ড্যান্স জুনিয়ার থেকে শুরু করে বাংলা টেলিভিশনে একের পর এক এই ক্ষুদে শিল্পীদের মুখ পরিচিত হচ্ছে গ্রাম বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে।

আজ থেকে ১০ বছর আগে এই প্রতিষ্ঠানের পথচলা শুরু। আজ তার শাখা-প্রশাখা বিস্তার করেছে ব্যারাকপুর, কৃষ্ণনগর, মধ্যমগ্রাম, বাঘাযতীন থেকে শুরু রাজ্যের বেশ কয়েকটি স্থানে। সরস্বতী পুজোর দিন বাঘাযতীন চিত্তরঞ্জন কলোনিতে খুদে কচিকাঁচা শিল্পীরা জড়ো হয়েছিল এবারের সরস্বতী আরাধনায়। থিম ছিল ‘ঘরের মেয়ে সরস্বতী’।

করোনা পরিস্থিতিকে মান্যতা দিয়েই ছোটদের নিয়ে সারাদিন মত্ত ছিল এই একাডেমির সঙ্গে যুক্ত ঋষি, সংযুক্তা, আদিত্য, খুশবু, সুদীপ, অভিজিৎ, সঞ্জু সহ এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত সাংস্কৃতিক চেতনশীল কর্তা ব্যক্তিরা।

এদিন শ’পাঁচেক প্রশিক্ষণরত বাচ্চা ছেলে মেয়েদের নিয়ে আনন্দে আত্মহারা ছিল প্রতিষ্ঠানের কর্তারা। বর্তমানে ছোট লোকনাথ অরণ্য রায়চৌধুরী, সবার পরিচিত ঘোষক ছোট্ট মেয়ে উদিতা আগামী দিনের একরাশ আশা নিয়ে একাডেমিতে ভর্তি হওয়ার ছোট্ট আড়াই বছরের মেয়ে ঐশানী মান্নার আধো আধো কথাতেও এই প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণের প্রশংসার কথা বলতে শোনা গেছে। বলাবাহুল্য সময় যত গড়াচ্ছে এই একাডেমীর কোরিওগ্রাফার ঋষি রায় চৌধুরীও সংযুক্তা সিংহের নতুন চিন্তাধারা, সামাজিক প্রেক্ষাপটে সাফল্যের দি গুলি নির্ণয় করে দিচ্ছে। সময় উপযোগী নানান চিন্তা ভাবনা সৃজনশীল সাংস্কৃতিক শিশুমনের বিকাশকে আরো উদ্দীপিত করছে মিঠুন চক্রবর্তী, দেব থেকে শুরু করে মহাতারকাদের প্রশংসার ডালি একের পর এক আশায়।

কোরিওগ্রাফার ঋষি রায়চৌধুরী ও সহযোগী সংযুক্তা সিংহ বলেন, শিল্পী তৈরি করাই আমাদের ধ্যান-জ্ঞান। আজ থেকে ১০ বছর আগে যে স্বপ্ন দেখা শুরু হয়েছিল, বাংলার সাংস্কৃতিক জগতে তা বাস্তব রূপ পাচ্ছে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে ক্ষুদে শিল্পীদের জায়গা করে দেওয়ার জন্য তাদের নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে জানান।

