আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১২ ডিসেম্বর: ধূপগুড়ির সুরেশ দে স্মৃতি মার্কেটে প্রাপ্য দোকান না পেয়ে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সামনে ধর্ণায় বসলেন এক পরিবার। সোমবার সকাল থেকে জেলা পরিষদের সামনে ধর্ণার বসলেন বিশ্বজিৎ মোহন্তের পরিবার। এর আগেও আগস্ট মাসে ধর্ণার বসেছিল ওই পরিবার। যতক্ষণ না সঠিক আশ্বাস না দেওয়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত ধর্ণা চালিয়ে যাবে বলে পরিবার বলে এদিন দাবি করে তারা।
জেলা পরিষদের উদ্যোগে ধূপগুড়ির সুরেশ দে স্মৃতি মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরি করা হয়েছে। মার্কেট কমপ্লেক্সে পুর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সহযোগিতায় দোকান বন্টন করার প্রক্রিয়া চলছে। এই মার্কেটে প্রায় চল্লিশ বছর থেকে ব্যবসা করেছেন মুরারি মোহন্ত। তিনি মারা যাওয়ার পর তাঁর ছেলে বিশ্বজিৎ মোহন্ত প্রায় দশ বছর থেকে ফলের দোকান করছিলেন বাবার দোকানে। নতুন করে মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরি করার পর সকলে দোকান পেলেও বিশ্বজিৎ দোকান পায়নি বলে অভিযোগ। মার্কেটে ব্যবসায়ী সমিতি ও ধুপগুড়ি
পুরসভার সঙ্গে কথা বলেও কাজ না হওয়ার ধর্ণার বসে ওই পরিবার। এ দিন ছেলে, স্ত্রী’কে সঙ্গে নিয়ে ব্যানার হাতে জেলা পরিষদের সামনে ধর্ণায় বসেন তাঁরা।
বিশ্বজিৎ বলেন,”দীর্ঘদিন থেকে দোকান করে আসছি। খাজনা ও ট্র্যাক্স দিয়ে আসছি। আমার স্ত্রী অসুস্থ হয়েছিল এই কারণে সময় দিতে পারিনি। এদিকে আমার দোকান অন্য আরেকজনকে দিয়ে আমাকে ছোট দোকান দেওয়া হচ্ছে। আমার জায়গায় আমার দোকান লাগবে এই কারণে ধর্ণায় বসেছি।”
এদিকে জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা বর্মণ বলেন, “একটা কমিটি করে দেওয়া হয় মার্কেটে। ছয় সাতজনের কমিটি করে দোকানের চাবি তুলে দেওয়া হয়। যিনি ধর্ণার বসেছেন উনার কথা শুনবো। যদি কোনো খামতি থাকে দেখা হবে। সব আধিকারিককে ডেকে শোনা হবে। সবাই দোকান পাবে এটাই আমাদের উদ্দেশ্য।”

