রাজেন রায়, কলকাতা, ৪ মার্চ: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ তুলে দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। ২২ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ সিঙ্গল বেঞ্চ নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। ছিল মেধা তালিকায় অস্বচ্ছতা থাকার অভিযোগ। সেই যুক্তিতে মান্যতা দেয়নি ডিভিশন বেঞ্চ। আপাতত নিয়োগ পদ্ধতি চলতে পারে, নির্দেশ আদালতের। ২ সপ্তাহের মধ্যে যথাযথ মেধা তালিকা প্রকাশ করতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে বুধবার মামলা দায়ের করছিল রাজ্য সরকার। আদালত সূত্রে খবর, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ১৬ হাজার ৫০০ শূন্য পদে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। অভিযোগ, গভীর রাতে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মেধা তালিকা প্রকাশ করার পর ওয়েবসাইট হ্যাক হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ ছিল রাজ্যের। মোট ছ’টি মামলা দায়ের হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি পর্ষদের নিয়োগে স্থগিতাদেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ।
গত ২৩ ডিসেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে। যাঁরা টেট উত্তীর্ণ এবং যাঁদের প্রশিক্ষণ রয়েছে, একমাত্র তাঁরাই আবেদন করতে পারবেন বলে স্পষ্ট জানিয়েছিল পর্ষদ। বিভিন্ন জেলার সফল প্রার্থীদের তরফে আদালতে অভিযোগ জানানো হয়েছিল যে, ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল নম্বর দিলে তাঁদের নাম ‘এনলিস্টেড’ বলে দেখানো হচ্ছে। অথচ জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যানদের কাছে এই ব্যাপারে জানতে গেলে তাঁরা প্রার্থীদের জানাচ্ছেন যে, তাঁদের কাছে সবার প্যানেল নেই।

