সাথী দাস, পুরুলিয়া, ২৭ ডিসেম্বর: গণ ইস্তফার সিদ্ধান্ত থেকে আপাতত সরে এলেন পুরুলিয়ার মানবাজার ২ ব্লকের বারী জাগদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানসহ ৮ পঞ্চায়েত সদস্য। ইস্তফার খবর চাউর হতেই তৎপর হয়ে পড়ে পুরুলিয়ার তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়েন তৃণমূল জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া ও জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান হংসেস্বর মাহাতো।

আজ সন্ধ্যে নাগাদ পঞ্চায়েতের প্রধান সহ সাত জন পঞ্চায়েতের সদস্য জেলা পার্টি অফিসে উপস্থিত হন। জেলা সভাপতি সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বারী-জাগদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ ৭ জন সদস্য। তার পরই তাদের সিধান্ত থেকে সরে আসেন প্রধান সহ বাকি সদস্যরা। যদিও এখানে ওই পঞ্চায়েতের ১১ জন সদস্যের মধ্যে দুই নির্দল এবং এক জন সিপিএম সদস্য এই সিদ্ধান্তের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনওটাই জানাননি।
প্রধান বলেন, “জন রোষের আশঙ্কা থেকে বাঁচতে আমাদের এই সম্মিলিত ইচ্ছে ছিল। দলের সভাপতি আমাদের বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করবেন বলে আশ্বাস দেন। এছাড়াও আমাদের ইস্তফা দেওয়ার বিষয়টি ভুল বুঝতে পেরে সরে দাঁড়ায়।”

তৃণমূল জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, “ইস্তফা দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। দলের সঙ্গে প্রশাসনিক বিষয়ে কোনো সম্পর্ক নেই। তবে, আবাস তৈরির তালিকায় সিস্টেমের কারণে ভুল হচ্ছে। এতে বিশেষ করে নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের বঞ্চিতদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এতে সমস্যায় পড়ছেন তাঁরা। সেই অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে ইস্তফার ইচ্ছে ছিল বারি জাগদা পঞ্চায়েতের সদস্যদের।”
আবাস যোজনার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি জানাতে ওই পঞ্চায়েতের প্রধান সহ সদস্যরা জেলা শাসকের দ্বারস্থ হবেন বলে এদিন তাঁরা জানান।

