জয় লাহা, দুর্গাপুর, ২৪ ফেব্রুয়ারি: ফুটপাথের ঝাঁ চলচকে কুলপি গাড়ি থেকে বাদাম সেক খেয়েছিল। আর তাতেই অসুস্থ হওয়ার অভিযোগ উঠল। এমনই অসুস্থ হয়ে কাঁকসা ব্লক হাসপাতালে ভর্তি ৬ পড়ুয়া। অসুস্থরা সকলেই কাঁকসার বাসিন্দা। ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কাঁকসার পানাগড়ে। ঘটনার তদন্তের আশ্বাস খাদ্য সুরক্ষা দফতরের।
ঘটনায় জানাগেছে, গরমের শুরুতেই দুর্গাপুর, পানাগড়ে ঠান্ডা রঙিন পানীয়ের পসরা নিয়ে হাজির ভিন রাজ্যের কিছু ব্যবসায়ী। রয়েছে নানান রঙের লস্যি, কুলপি, বাদাম সেক, কাজু সেকের মত সুস্বাদু ঠান্ডা পানীয়। আর ওই রসনা তৃপ্তি পানীয় টানছে স্কুল পড়ুয়া থেকে সাধারন মানুষকে।

এদিন কাঁকসা ব্লক হাসপাতালে ভর্তি থাকা পড়ুয়ারা জানান, “দিন তিনেক আগে পানাগড় বাজারে রাজস্থান থেকে আসা একটি গাড়ি থেকে বাদাম সেক খেয়েছিলাম। বাড়ি ফিরে রাতে পেটে ব্যাথা শুরু হয়। তারপর পায়খানা বমি শুরু হয়।” এদিকে বেগতিক বুঝে পরিবারের লোকজন কাঁকসা ব্লক হাসপাতালে ভর্তি করে।
কাঁকসা বিএমওএইচ বিপ্লব মন্ডল জানান,”খাবারে বিষক্রিয়া জনিত কারণে ৬ জন ভর্তি হয়েছিল। একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বাকিদের অবস্থা আগের তুলনায় সুস্থ। পর্যবেক্ষনের রাখা হয়েছে।”
প্রশ্ন উঠেছে বাজারে বিক্রি হওয়া ঠান্ডা পানীয়’র গুনগত মান ও খাদ্য সুরক্ষায়। জানা গেছে, চলতি বছর সুদূর রাজস্থান থেকে প্রায় ১০টি গাড়ি এসেছে ঠান্ডা পানীয়’র পসরা নিয়ে। ওই গাড়িগুলি দুর্গাপুর, পানাগড়, অন্ডাল, পান্ডবেশ্বরে ঠান্ডা পানীয় নিয়ে বসছে। তবে তাদের পানীয় কতটা সুরক্ষিত সে বিষয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যদিও দুর্গাপুর খাদ্য
সুরক্ষা দফতরের আধিকারিক কিরনমণি দেবনাথ জানান,” বিষয়টি খোঁজ নিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খাবারের নমুনা পরীক্ষা করা হবে।

