গোপাল রায়, আমাদের ভারত, আরামবাগ, ১৩ এপ্রিল: এস আই আর- এ নাম বাদ যাওয়া বাসিন্দাররা স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করলো রাষ্ট্রপতির কাছে। সোমবার আরামবাগ মহকুমা শাসকের কাছে তাঁরা এই আবেদন করেন। এদিন ছয় বাসিন্দারা তাদের যাবতীয় নথি গলায় ঝুলিয়ে ও শরীরে সেঁটে আরামবাগ মহুকুমা শাসকের কাছে এই আবেদনপত্র জমা দেন।
৬ জন আবেদনকারীর মধ্যে হাইস্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকাও রয়েছেন। তিনি হুগলির আরামবাগ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ওই ওয়ার্ডের দু’শোর বেশি জনের এস আই আর- এ নাম বাতিল হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে তাইবুন্নেসা বেগম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা পদে ২০ বছর চাকরি করেছেন। বহু বছর ধরে সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। উনার স্বামী আরামবাগ গার্লস কলেজের অধ্যক্ষ। নিজের পেনসনের কাগজপত্র আছে। পাসপোর্ট সহ যাবতীয় নথি থাকা সত্ত্বেও নাম বাতিল হয়ে গেছে। হয়রানির শিকার হয়ে আর সহ্য না করতে পেরে তারা স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের আবেদন জানিয়েছেন। সঙ্গে ছিলেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার স্বপন নন্দী।
আবেদনকারীদের দাবি, স্বাধীন দেশে জন্মে ডিটেনশন ক্যাম্পে যাওয়ার থেকে স্বেচ্ছামৃত্যু বেছে নেওয়াই ভালো। এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
আরামবাগ বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুশান্ত বেড়া জানায়, এই সমস্ত বিষয় নির্বাচন কমিশনারের কাজ। তাতে করে সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষ যারা প্রমাণপত্র দিতে পারেনি তাদের নাম বাদ গেছে। সরকারের তরফ থেকে এটা নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে। এখন দীর্ঘ প্রক্রিয়া আছে।

