আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ২৮ জুলাই: ভাড়াটে খুনি এসে শুক্রবার ভোর রাতে এক ব্যক্তিকে
ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে জলপাইগুড়ির ধুপগুড়ির আংরাভাষা এলাকায়। মৃতের নাম মেহতাব হুসেন (৩৮)। ঘটনায় আহত হয়েছে তার স্ত্রী মৌমিতা দাস। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে বিহারের দুই কিশোরী সহ মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করে। খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মৃতের সম্পর্কের ভাগ্না আফতাব হুশেন।
শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ সুপার উমেশ খান্ডবহালে বলেন,
“মৃত ব্যক্তি বিহারের বাসিন্দা ছিলেন। সেখান থেকে পরিকল্পনা করে ছয়জন এসে খুন করে পালানোর চেষ্টা করে। প্রথমে একজনকে গ্রেফতার করার পর আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের ধৃতরা পরিকল্পনা করে খুন করতে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। কি কারণে খুন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে আংরাভাসার বাসিন্দা মেহতাব হুসেনের ভাগ্না আফতাব হুসেন। বিহারের কোনো এক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছিল তাদের। আফতাব হুসেন কর্মসূত্রে দিল্লিতে থাকতেন। সেখান থেকেই তার পরিচিত লোকেদের নিয়ে এসে গভীর রাতে মেহতাব হোসেন ও তার স্ত্রী মৌমিতাকে কুপিয়ে খুন করার চেষ্টা করে। মেহেতাব হুসেন ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পুলিশ ধৃতদের আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাদ করবে বলে জানা গিয়েছে। তবে বিহার থেকে এসে খুনের পরিকল্পনা করার ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই হতবাক আংরাভাষা সহ ধুপগুড়ির বাসিন্দারা।

