আমাদের ভারত, ৩ এপ্রিল: রক্তহীন নির্বাচনের লক্ষ্যে বহু আগে থেকেই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের এক মাস আগে থেকে এখানে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার আরও বড় ঘোষণা করলো কমিশন। ভোট পরবর্তী হিংসা ঠেকাতে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ৫০ হাজার জওয়ান মোতায়েন থাকবে রাজ্যে।
শুক্রবার নতুন করে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে ভোটের পর শুধুমাত্র ইভিএম স্ট্রং রুম সুরক্ষার কারণেই মোতায়েন থাকবে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে জওয়ান বেশি পরিমাণে মোতায়েন থাকবে।
ভোট যত এগোচ্ছে তাতেই অশান্তির খবর আসছে রাজ্যের নানা দিক থেকে। এই মুহূর্তে কালিয়াচকের ঘটনা নিয়ে সবচেয়ে উত্তপ্ত রাজ্য। এস আই আর- এর কাজে যে জুডিশিয়াল অফিসাররা গিয়েছিলেন তাদের বুধবার রাতে কালিয়াচক ২ বিডিও অফিসে আটকে রাখার ঘটনায় পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ঘটনার প্রতিবাদে জনবিক্ষোভ হলেও পুলিশকে সেখানে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে পড়তে হয় নির্বাচন কমিশনকে। পুলিশ আধিকারিক, রাজ্যের ডিজিপি ও মুখ্য সচিবকে শোকজ করা হয়। এই মুহূর্তে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। তবে তার আগেই এই ঘটনায় অভিযুক্ত সন্দেহে এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।
এই ঘটনার জেরে নিরাপত্তা নিয়ে আরো তোড়জোড় শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের ফল প্রকাশের পরেও ৫০০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে মোতায়েন থাকবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য। আর এতে মনে করা হচ্ছে ভোট পরবর্তী অশান্তির আশঙ্কায় কমিশন এই নির্দেশ দিয়েছে।

