আমাদের ভারত, শিলিগুড়ি, ১ আগস্ট: জিটিএ’র প্রধান পদে বসেই এবারে পরিশ্রুতি পালনে জোর দিলেন অনীত থাপা। শুরু করলেন, পাহাড়ের গ্রামে গ্রামে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছনোর কাজ। ইতিমধ্যে এদিন ৫ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকার একটি জল প্রকল্পের কাজ শুরুও করেছেন। যার মাধ্যমে কার্শিয়াং মহকুমার ১৪টি পাহাড়ি গ্রামে পানীয় জল পৌঁছবে।
উল্লেখ্য, জিটিএ’র শপথ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও পাহাড়বাসীর পানীয় জল নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। অনীত থাপা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর তৎপরতাতেই এই কাজ এত দ্রুত করা সম্ভব হচ্ছে।

জানা গেছে, পাহাড়ি ঝোরার জলকে পরিশুদ্ধ করে সেই জল পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দেওয়া হবে। গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (জিটিএ) জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি বিভাগের অন্তর্গত জল জীবন মিশন প্রকল্পে এই কাজ হবে। অনীত থাপা এদিন তার শিলান্যাসও করেছেন। যে এলাকাগুলিতে এই পর্যায়ে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছনো হবে, সেগুলি হল– ক্রিকেট বাজার, ঘাইওয়ারি-১ (১২.৫৯ লক্ষ টাকা), রাজওয়ারি, ঘাইওয়ারি-২ (২২.১২ লক্ষ টাকা), মালোটার, শিব খোলা (১৭.৮৪ লক্ষ টাকা), কালিমাটি বস্তি, ঘাইওয়ারি-৩ (১২.১৯ লক্ষ টাকা), ঝুমতি, মহানদী (২৬.৪০ লক্ষ টাকা), জংপানা, মহানদী (২৩.৭৫ লক্ষ টাকা), সিবিতার, মহানদী (২৪.১ লক্ষ টাকা), সিপাইধুরা, শিবখোলা (২৬.৬৫ লক্ষ টাকা), ১৪ মাইল এবং পাগলা ঝোরা, মহানদী (১০.৮৬ লক্ষ টাকা), গীতাঙ্গে, মহানদী (১১.৮৬ লক্ষ টাকা), কপচে গ্রাম, মহানদী (৪৭.২৪ লক্ষ টাকা), ঘাইওয়ারি-৩ (১.২৫ কোটি টাকা), তিনধারিয়া (১.০৮ কোটি টাকা) ও রং টং, ১২-মাইল, ঘাইওয়ারি-২ (৮৩.০৪ লক্ষ টাকা)।
অনীত থাপা জানান,‘নির্বাচনী প্রচারে এসে এলাকার পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। তাই জিটিএ প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি এই এলাকাতেই প্রথম জল প্রকল্পের শিলন্যাসের কাজ শুরু করলাম।’ তিনি জানান,‘আমরা ৫.৫৩ কোটি টাকা দিয়ে ১৪টি কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি। আমরা চাই প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা থাকুক। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই এলাকায় ৫০ কোটি টাকার পানীয় জল প্রকল্পের কাজ হবে।’
স্থানীয় জিটিএ সদস্য নবরাজ ছেত্রী বলেন,‘এই প্রকল্প রূপায়িত হলে তিনধারিয়ার দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হবে।’

