সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৭ জানুয়ারি: চোরাকারবারীদের ধরতে গিয়ে এক মহিলা কনস্টেবল সহ তিন বিএসএফ জওয়ান গুরুতর আহত হয়। উদ্ধার হয় ৪৩ কেজি গাঁজা সহ ৩৭১ বোতল ফেনসিডিল। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার মামাভাগ্নে গ্রামে। ইতি মধ্যে আহত জওয়ানদের কলকাতা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিএসএফ সূত্রের খবর, চোরাকারবারীদের দৌরাত্ম্যে নাজেহাল গ্রামের মানুষ। বারবার থানায় অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এই নিয়ে দিন কয়েক আগে বাগদা থানা ঘেরাও করে সীমান্তের গ্রামবাসীরা। এই নিয়ে বৈঠক হয় পুলিশ ও বিএসএফের মধ্যে। চোরাকারবারীদের দৌরাত্ম্য কমাতে সীমান্তে কড়া নিরাপত্তায় ঘিরে রেখেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীরা। এদিন রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিএসএফের ৬৪ নম্বর ব্যাটেলিয়নের একটি দল মামাভাগ্নের নওদাপাড়া গ্রামে এক কুখ্যাত চোরাকারবারীর বাড়ি হানা দেয়। সেখান থেকে আলমগীর মণ্ডলের ঘর থেকে উদ্ধার হয় ৪৩ কেজি গাঁজা ও ৩৭১ বোতল ফেনসিডিল। গ্রেফতার করা হয় আলমগীর মন্ডলকে। সেই সময় তাঁর সঙ্গীরা বিএসএফের উপর হামলা চালায়।

বিএসএফের ডিআইজি সঞ্জয় কুমার বলেন, বিএসএফ জওয়ানরা যখন আলমগীর মণ্ডলকে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন তার সহযোগী চোরাকারবারীরা অতর্কিতভাবে লাঠি ও পাথর নিয়ে জওয়ানদের ওপর হামলা চালায়। এতে চারজন বিএসএফ জওয়ান গুরুতরভাবে আহত হন। কিন্তু বিএসএফের সাহসী জওয়ান চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে শক্তভাবে লড়াই করে চোরাকারবারী আলমগীরকে ধরে ফেলে। এর পরেই, জওয়ানরা আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চোরাকারবারীকে সীমান্তের চৌকি মামাভাগ্নেতে নিয়ে আসে। হামলাকারীদের ধরতে ওই গ্রামে তল্লাশি চালাচ্ছে বিএসএফ সহ পুলিশ।

