সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা,
২৯ এপ্রিল: বিজেপিতে ভাঙন। পঞ্চায়েত প্রধান সহ তিন সদস্য ও এক হাজার বিজেপি সমর্থক যোগ দিল তৃণমূলে। শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের ধর্মপুর ২ পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রধান সহ তিন জন বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য ও একজন নির্দল সমর্থিত পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূলে যোগদান করল। শুক্রবার দুপুরে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা কার্যালয়ে এসে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগদান করেন৷
তাদের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দিয়ে বরণ করে নেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি গোপাল শেঠ ও সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান শংকর দত্ত। ওই পঞ্চায়েত এতদিন বিজেপির দখলে ছিল। এবার এল তৃণমূলের দখলে। উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের ধর্মপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন ১৬টি। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মোট ১৬ টি আসনের মধ্যে ৮ টি আসনে জয়ী হয় বিজেপি। ২টি নির্দল ও তৃণমূল কংগ্রেস পায় ৬ টি আসন। ভোটে জিতে নির্দল এক সদস্য তৃণমূলে যোগ দেয়। আর ১ নির্দলের সদস্য বিজেপিকে সমর্থন করে। পরবর্তিতে বিজেপির ৮ জন সদস্য ও ১ নির্দল সমর্থনে পঞ্চায়েত গঠন করে বিজেপি। প্রধান হয় নীলাদ্রি ঢালী। এবারে প্রধান নীলাদ্রি ঢালী সহ তিন বিজেপি সদস্য ও এক নির্দল সদস্য তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় তৃণমূলের দখলে চলে যায় ধর্মপুর গ্রাম পঞ্চায়েত।
এবিষয়ে প্রধান নীলাদ্রি ঢালী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে উন্নয়ন সেই উন্নয়নে সামিল হয়ে মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বিজেপিতে থেকে পঞ্চায়েতের কোনো উন্নয়ন করতে পারছিলাম না। তাই বাধ্য হয়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া।
এই বিষয়ে বিজেপি নেতা দেবদাস মন্ডল বলেন, সারা পশ্চিমবঙ্গে দল ভাঙার খেলায় মেতেছে তৃণমূল। ২০১১ পর থেকে শুরু করেছে দল ভাঙার খেলা। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন সেই কারণে একের পর এক পঞ্চায়েত জোর করে দখল করছে তৃণমূল। যদি অফ ক্যামেরা এই
প্রধানকে জিজ্ঞাসা করা হয়, যে স্বইচ্ছায় গিয়েছে, না সে ভয়েতে গিয়েছে, তাহলে জানা যাবে। কেউ স্বইচ্ছায় যাচ্ছে না। যারা যাচ্ছে তারা ভয় পেয়ে যাচ্ছে। এখানে বিরোধী দল করা মানে একটি কঠিন লড়াই করা।

