পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, ১ জানুয়ারি: সারা রাজ্যের পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর
ব্লকজুড়ে পালিত হলো তৃণমূল কংগ্রেসের ২৭তম প্রতিষ্ঠা দিবস। ১৯৯৮ সালের ১লা জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। তারপর থেকেই প্রতিবছরই ১লা জানুয়ারি দিনটি প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা।

এদিন সকালে পশ্চিম মেদিনীপুরের সমস্ত ব্লকে এবং মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা এবং ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা কার্যালয়ের পাশাপাশি কেশপুর, সবং, ডেবরা ব্লক সহ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সমস্ত ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে ২৭তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়। পাশাপাশি বারোটা এক বাজতেই আতশবাজি প্রদর্শনী এবং কেক কেটে তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয় পশ্চিম মেদিনীপুরে জেলা পার্টি অফিসে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর, জেলা সভাপতি, যুব সভাপতি এবং অসংখ্য কর্মী সমর্থকদের নিয়ে এই প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়। সেই কেক খাইয়ে দেওয়া হয় জেলা সভাপতি, বিভিন্ন কাউন্সিলর এবং যুব সভাপতিকে।
এদিন সবং ব্লকে পতাকা উত্তোলন করেন প্রাক্তন জেলা পরিষদের সদস্য বিকাশ রঞ্জন ভুঁইয়া, ব্লক সভাপতি আবু কালাম বক্স, ডেবরা ব্লকের বিধায়ক হুমায়ুন কবির, ব্লক সভাপতি প্রদীপ কর, সীতেশ ধাড়া, কেশপুর ব্লক সভাপতি প্রদ্যুৎ পাঁজা সহ বিভিন্ন ব্লকের ব্লক সভাপতি ও বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন।

রবিবার গভীর রাতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর শহরের নান্নুরচকের পার্টি অফিসের সামনে রীতিমত কেক কেটে এই প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করেন তৃণমূল নেতা ও কর্মী সমর্থকরা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গুটিগুটি পায়ে ১৯৯৮ সালের জন্ম লগ্নের পর থেকেই তৃণমূল নামক রাজনৈতিক দলটি ২৭ বছরে পদার্পণ করল। আর সেই ২৭ বছর পদার্পনে প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে গোটা রাজ্যের সঙ্গে জেলায়ও পালন করল তৃণমূল কংগ্রেস।
এদিন নান্নুরচকের পার্টি অফিসের সামনে কেক কাটেন তৃণমূলের জেলা সাংগঠনিক সভাপতি সুজয় হাজরা। এরই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শহর সভাপতি, ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিশ্বনাথ পাণ্ডব, যুব সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী, কাউন্সিলর টোটন শাসপিল্লি, সত্য পড়িয়া সহ বিশিষ্ট তৃণমূল নেতা এবং অসংখ্য কর্মী সমর্থক। রীতিমতো মোমবাতি জ্বালিয়ে কেক কাটেন জেলা সভাপতি। কেক কাটার পর সেই কেক তাকে খাইয়ে দেন জেলা যুব সভাপতি। এরপর সেই কেক যুব সভাপতি ও বিভিন্ন কাউন্সিলরকে খাইয়ে দেন জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা। এছাড়াও জেলা কার্যালয়ে মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে দলীয় ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হয়।
এরপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুজয়বাবু বলেন, আস্তে আস্তে গুটিগুটি পায়ে নানা ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়েই এই ২৬টা বছর পেরিয়েছে তাদের রাজনৈতিক দল। আর তাই আগামী দিনে যাতে আরো ভালো কিছু করতে পারে সেই উদ্দেশ্যেই এবং সেই প্রতিজ্ঞা নিয়েই নতুন করে পথ চলা। এই সাড়ে ১০ কোটি রাজ্যের মানুষের প্রধান আশা ভরসা এই তৃণমূল। তাই সকল মানুষকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

