আমাদের ভারত, ১৬ জুলাই: নেটমাধ্যমের অপব্যাবহারের প্রবণতা রুখতে এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপদ পরিবেশ দিতে এবার পদক্ষেপ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। গত এক মাসে ২০ লাখ ভারতীয়ের অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করেছে এই ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ।
এই মাসের প্রথম দিকেই মাসিক ‘কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট’ জমা দিয়েছিল গুগল, ফেসবুক এবং টুইটার। নয়া তথ্য প্রযুক্তি আইনের নির্দেশিকা মেনেই এবার বৃহস্পতিবার ‘গাইডলাইন রিপোর্ট’ প্রকাশ করেছে হোয়াটসঅ্যপ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, অ্যাপ সংস্থা নিজস্ব উদ্যোগেই এবং দায়ের হওয়া বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখে গত ১৫ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ২০ লাখ ১১ হাজার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে।
হোয়াটসঅ্যাপের দাবি, এই সময় মোট ৩৪৫টি অভিযোগ জমা পড়েছিল তাদের কাছে। ২০৪টি অভিযোগ ‘ব্যান আপিল’, ৭০টি ‘অ্যাকাউন্ট সাপোর্ট’, ৪৩টি প্রোডাক্ট সাপোর্ট এবং ২০টি ‘অন্যান্য সাপোর্ট’ এবং ৮টি ‘সেফটি সাপোর্ট’ শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। যেগুলির অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্ষতিকারক, অশালীন এবং হেনস্থা মূলক মেসেজের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তা ছাড়াও হ্যাকিং, নকল অ্যাকাউন্ট এবং জালিয়াতি তো আছেই।

প্রত্যেক মাসেই হোয়াটসঅ্যাপ বিশ্বে গড়ে ৮০ লাখ অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করে দেয়। এই সংস্থা জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের নিরাপদ পরিবেশ প্রদান করা এবং ক্ষতিকারক এবং অবাঞ্ছিত মেসেজ থেকে অ্যাকাউন্টকে প্রতিরোধ করা তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য তাই তারা প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করে থাকে অবিরত। এছাড়া প্ল্যাটফর্মে খারাপ ব্যবহার, ক্ষতিকারক মন্তব্য বা গালিগালাজ আটকাতে বেশ কিছু টুলস ব্যাবহার করা হচ্ছে। সংস্থা জানিয়েছে, তাদের তদন্তে রেজিস্ট্রেশনের সময়, মেসেজিং ও নেগেটিভ ফিডব্যাক এই তিনটি বিষয়ের ওপর ভিতি করেই তারা অ্যাকাউন্টগুলিকে নিষিদ্ধ করেছে।

