মিথ্যে পরিচয় দিয়ে বিয়ে ও জোর করে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ধর্মান্তরকরণ বিরোধী আইনে প্রথম শাস্তি যুবকের

আমাদের ভারত, ২৩ ডিসেম্বর:জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করিয়ে বিয়ের চেষ্টার অভিযোগে কানপুরের এক যুবককে দশ বছরের কারাদণ্ডের শাস্তি দিল আদালত। একই সঙ্গে ওই যুবককে তিরিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বেআইনিভাবে ধর্মান্তকরণ প্রতিরোধ আইনে এই প্রথম উত্তরপ্রদেশে কোনও ব্যক্তি সাজা পেল।

২০১৭ সালের মে মাসের জাভেদ নামে ওই যুবক এক নাবালিকাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। ওই নাবালিকার কাছে সে নিজের পরিচয় গোপন করেছিল। নিজেকে মুন্না হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল জাভেদ। দুজন পালানোর পরে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে মেয়েটির পরিবার। পরেরদিন জাভেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্তকারীদের কাছে নাবালিকা জানিয়েছে, জাভেদ ওরফে মুন্না তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর তার আসল পরিচয় জানায় ও নিকার জন্য জোরাজোরি করে। কিন্তু মেয়েটিকে কোনওভাবেই রাজি না হওয়ায় তাকে ধর্ষণ করে জাভেদ।

জাভেদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয়। জেলে যায় ওই যুবক। তামধ্যেই উত্তরপ্রদেশের বেআইনি ধর্মান্তকরণ প্রতিরোধ অর্ডিন্যান্স ২০২০ পাস হয়। এই অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী জোর করে, পরিচয় গোপন করে, ভয় দেখিয়ে, প্রভাব খাটিয়ে, মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে, কারো ধর্ম পরিবর্তনের চেষ্টা করলে বা ধর্ম পরিবর্তনের জন্যেই বিয়ে করলে তা অপরাধ বলে পরিগণিত হবে। ওই বছর ওই অধ্যাদেশ আইনেও পরিণত হয়। এই আইনে দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের ১৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১০ বছরের কারাদণ্ড নির্ধারিত হয়।

ফলে এই আইন অনুযায়ী আদালত জানায় ওই নাবালিকাকে বিয়ে করে জাভেদ তার ধর্ম পরিবর্তনের চেষ্টা করে এটা বেআইনিভাবে ধর্মান্তকরণ ছাড়া আর কিছুই নয়। আর এই আইন অনুযায়ী তার সাজা ঘোষণা করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *