সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৮ সেপ্টেম্বর: জমিতে সার দেওয়া স্প্রে মেশিনের মধ্যে লুকিয়ে সোনার বিস্কুট পাচার করার সময় বিএসএফ জওয়ানদের নজরে পড়ে এক পাচারকারী। স্প্রে মেশিন ফেলে বাংলাদেশে চম্পট দেয় ওই পাচারকারী। মেশিন থেকে উদ্ধার হয় ১৯টি সোনার বিস্কুট। যার ওজন ২ কেজি ২১৬ গ্রাম। বাজার মূল্য ১ কোটি ১৪ লক্ষ ২ হাজার ৫০৩ টাকা। এই সোনা বাংলাদেশ থেকে ভারতে নিয়ে আসছিল বলে বিএসএফ সূত্রে খবর। বুধবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের মামাভাগিনা গ্রাম থেকে উদ্ধার হয় বিস্কুটগুলি।

চোরাকারবারীরা প্রায়ই নতুন নতুন উপায়ে চোরাচালানের কথা ভাবে। কিন্তু সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সতর্ক জওয়ানরা চোরাকারবারীদের চেয়ে সব সময়ই একধাপ এগিয়ে থাকেন। বিএসএফ আধিকারীক শ্রী যোগেন্দ্র অগ্রবাল কমান্ডিং অফিসার জানিয়েছেন, ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে মামাভাগিনা গ্রাম এলাকায় মোতায়েন করা ৬৮ তম বাহিনী। সীমা চৌকির মামাভাগিনার জওয়ানরা সঠিক সূচনার ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান শুরু করেন। এই অভিযানের মাধ্যমে স্প্রে মেশিনের মধ্যে লুকিয়ে পাচার করা সোনার ১৯টি বিস্কুট উদ্ধার করা হয়েছে। এই সোনার বিস্কুটগুলি স্প্রে মেশিনে লুকিয়ে এক বাংলাদেশি চোরাচালানকারী এনেছিল। সে বিএসএফ জওয়ানদের দেখে মেশিনটি ফেলে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। উদ্ধার করা হয় ১৯টি সোনার বিস্কুট। যার মোট ওজন ২ কেজি ২১৬ গ্রাম। যার বাজার মূল্য ১ কোটি ১৪ লক্ষ ২ হাজার ৫০৩ টাকা। উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুটগুলি বাগদা শুল্ক দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শ্রী যোগেন্দ্র আগারওয়াল, কমান্ডিং অফিসার ও ৬৮ বাহিনীর জওয়ানরা বলেন, ‘প্রতিদিন চোরাকারবারীরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিত্য নতুন উপায়ে পাচারের চেষ্টা করে, কিন্তু আমাদের জওয়ানদের সতর্কতার কারণে তাদের পরিকল্পনা সফল হয় না। আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে আমরা দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

