রাজেন রায়, আমাদের ভারত, ৮ আগস্ট: বিজেপির বিরুদ্ধে যে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বেন না, তা আগেই হুঙ্কার দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৪ জন নেতা নেত্রীকে গ্রেফতার করে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে বসে ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তারা সকলে জামিন পেলে হাসি ফুটল তাঁর মুখে। সূত্রের খবর, চিকিৎসার জন্য সকলকে নিয়ে তিনি ফিরছেন কলকাতায়।
রবিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় সুদীপ রাহা, দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত, তানিয়া পোদ্দার, মনোরঞ্জন দেবনাথ, শিবতনু সাহা, আশিসলাল সিং, রণবীর ভৌমিক, মেহেদি হাসান, স্বপন মিঁয়া, অমল ভৌমিক, সুমন মিঁয়া, সুরজিৎ সূত্রধর এবং দেব সরকারকে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির আন্ডার সেকশন ১৮৮ এবং ১৮৯৭-এর মহামারি আইনের তিনটি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ১৪ জনকেই আটক করে প্রথমে খোয়াই ধলাবিলের পুলিশ লাইনে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিবার ভোরে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় খোয়াই থানায়। খবর পেয়ে সেখানে গিয়েছিলেন দলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ, মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন।
ত্রিপুরার আদালতে ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দেওয়া হয়েছে সকলকে। আদালতে যখন শুনানি চলছিল তখন খোয়াই থানায় ঠায় বসেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর আদালতে গিয়েছিলেন দলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ, মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন। এদিন আদালতে তৃণমূল কংগ্রেস যুব নেতাদের হয়ে সওয়াল করেন মোট ১২ জন আইনজীবী। তার মধ্যে ৮ জন কলকাতা থেকে গিয়েছিলেন। বাকি চার আইনজীবী ত্রিপুরার। তারপরে ১৪ জন জামিন পান। আদালত চত্বরে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী–সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁদের সামলাতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

