আশিস মণ্ডল, আমাদের ভারত, বীরভূম, ২৮ সেপ্টেম্বর: তোলা না দেওয়ায় বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ১৩৮ টি গরু এবং মোষ আটক করার অভিযোগ উঠল রামপুরহাট থানার পুলিশের বিরুদ্ধে। দীর্ঘক্ষণ খেতে না পেয়ে ইতিমধ্যে দুটি মহিষের বাচ্চা মারা গিয়েছে। যদিও পুলিশের দাবি, পশু গুলো পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল।

জানা গিয়েছে, বিহারের বৈশালী জেলার রাঘোপুর থেকে সাতটি লরিতে ১৩৮ টি মোষ বর্ধমানের উখড়া নিয়ে যাচ্ছিল কয়েকজন গরুর দুধ ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার রাতে ঝাড়খণ্ডের দুমকা-রামপুরহাট রাস্তায় সুঁরিচুয়ার কাছে পুলিশ তাদের গাড়ি আটকায়। অভিযোগ, পুলিশ সাতটি গাড়ি থেকে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। না দেওয়ায় সারা রাত গাড়ি আটকে রেখে সকালে গরু এবং মোষগুলি রামপুরহাট মনসুবা মোড়ে সরকারি হেফাজতে রাখা হয়। দীর্ঘক্ষণ গাড়িতে আটকে থাকার ফলে দুটি মোষের বাচ্চা মারা যায়।

গরু ব্যবসায়ী ভগবান রায় বলেন, “আমরা বিভিন্ন জায়গায় মোষগুলি নিয়ে গিয়ে সেখানে দুধের ব্যবসা করে থাকি। সেই মতো আমরা বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে সাতটি গাড়িতে গরু ও মোষ নিয়ে উখড়া যাচ্ছিলাম। সেখানেই কিছুদিন দুধের ব্যবসা করতাম। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে পুলিশ গাড়ি আটকে গাড়ি পিছু ১০ হাজার টাকা দাবি করে। দিতে না পারায় গাড়ির চালকদের প্রচণ্ড মারধর করে। মারধর খেয়ে লরি চালকরা পালিয়ে যায়। ফলে দীর্ঘক্ষণ গাড়ির মধ্যে আটকে থেকে দুটি মোষের বাচ্চাও মারা যায়”। যদিও এনিয়ে পুলিশ কিছু বলতে চায়নি।

