বিজেপি নেতার মৃত্যুতে বুধবার ময়নায় ১২ ঘণ্টার বনধ, ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পূর্ব মেদিনীপুর, ২ মে: বিজেপি নেতার মৃত্যুতে বুধবার ময়নায় ১২ ঘণ্টার বনধ, ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু।

উল্লেখ্য, সোমবারও ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মেদিনীপুরের ময়নার বাকচা এলাকা। বিকেলে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মী বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইঞাকে খুনের অভিযোগ ওঠে। কাঠগড়ায় শাসক দল। সেই ঘটনার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। পথ অবরোধ করে টাওয়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তারা। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছোন বিজেপি নেতা তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দলীয় নেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশের পাশাপাশি এলাকায় শান্তি ফেরানোর চ্যালেঞ্জও নেন তিনি। সঙ্গে এও পরিষ্কার করেন, ঠিক কী কারণে বার বার অশান্ত হয়ে উঠছে গোটা এলাকা।

এলাকায় শান্তি ফেরানোর প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, এর আগে তিনি যে যে জায়গায় স্থায়ী শান্তি ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সেই সব জায়গায় এখন স্থায়ী শান্তি বিরাজ করছে। বিজেপি নেতার কথায়, “দেবব্রত মাইতি শহিদ হওয়ার পর আমি নন্দীগ্রামে বলেছিলাম স্থায়ী শান্তি দেব। এখন সেখানে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের পর এলাকাবাসী স্থায়ী শান্তিতে রয়েছেন।খেজুরিকে বলেছিলাম স্থায়ী শান্তি দেবো, হয়েছে।ভাঙনমারির বিস্ফোরণের পর এনআইএ তদন্ত হয়, সেখানকার মানুষজন স্থায়ী শান্তি পেয়েছেন।আমি ভূপতিনগরকে বলেছিলাম নাড়ুয়াভিলাতে বিস্ফোরণের তদন্ত এনআইএ করবে। ভূপতিনগর-ভগবানপুরে স্থায়ী শান্তি ফিরেছে।” এখানেই শেষ নয়, মোমিনপুর ও একবালপুরের অশান্তির প্রসঙ্গ টেনে এনে শুভেন্দুবাবু বলেন, “এই এলাকায় গিয়ে বলেছিলাম এনআইএ আসছে, মোমিনপুর ও একবালপুর স্থায়ী শান্তি পাবে। রামনবমীর পরে হাওড়াতে দাঁড়িয়ে বলেছিলাম হাওড়ার রিষড়া স্থায়ী শান্তি পাবে। সেখানে বর্তমানে এনআইএ তদন্ত হচ্ছে।” এরপর শুভেন্দু দৃপ্ত কন্ঠে বলেন, “বিজয় ভুঁইঞার রক্তকে সাক্ষী রেখে বাকচাকে বলে গেলাম আপনারাও স্থায়ী শান্তি পাবেন। আজ থেকে দায়িত্ব আমি নিলাম।”

এ দিন, বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইঞার মৃত্যুর প্রতিবাদে আগামীকাল ময়নায় ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *