আমাদের ভারত, ৯ এপ্রিল: বাধাহীন ভয়মুক্ত পরিবেশে স্বচ্ছ নির্বাচন করতেই হবে। আর তার জন্য জিরো টলারেন্স নীতিতে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সেই লক্ষ্যে রাজ্যের প্রতি বুথে ১০০% ওয়েব কাস্টিং- এর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। এই ব্যবস্থার ফলে প্রতিটি বুথ সরাসরি কমিশনের নজরদারির আওতায় থাকবে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলেও জানানো হয়েছে।
তবে এই ওয়েবকাস্টিং ঘিরে ভোটের গোপনীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে অনেকে বলে অভিযোগ কমিশনের। এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে ক্যামেরা কোনভাবেই ভোটদানের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করবে না। কমিশনের বক্তব্য বুথে বসানো দুই বা কোথাও তিনটি ক্যামেরা শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হবে।ভোটার কাকে ভোট দিচ্ছেন তা কোনভাবেই রেকর্ড বা প্রকাশ পাবে না।আপনার দেওয়া ভোট শুধুমাত্র আপনি জানবেন।
বাংলায় ভোটে অশান্তির ঘটনা যে একেবারে ঘটবে না তা বলা যায়নি এতদিন।বোমাবাজি খুন জখম নানা বড় ছোট বড় ঘটনা সাক্ষী পশ্চিমবঙ্গের বহু জায়গা।ৎএকুশে নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়েছে। বিশেষত দক্ষিণ ২৪ পরগনা পূর্ব মেদিনীপুর মুর্শিদাবাদ মালদা একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটে। ২৪ এর লোকসভা নির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ছিল।ভোট কিংবা ভোট পরবর্তী হিংসা একজনেরও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ২৬ এর নির্বাচনে ২৪ এর সেই ধারা বজায় রাখতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। আর সেই কারণে ভোটের কাজে যুক্ত প্রত্যেক আধিকারিকদের একমাত্র কমিশনের নির্দেশ মত কাজ করার কথা বারবার মনে করিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমারৃয়কোন রাজনৈতিক দল কিংবা নেতা নির্দেশে কাজ করলে ওই অধিকারিকদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এছাড়া প্রত্যেক পুলিশ সুপারদের কোনো হিংসা দেখলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

